১৩৯৪ হিজরি সনের ৭ই রবিউল আউয়াল, এই পবিত্র দিনে হাটহাজারী উপজেলার ছিপাতলীতে একটি ঐতিহাসিক দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি স্থাপিত হয়। স্থানীয় আলেম, দ্বীনদার ব্যক্তিবর্গ এবং মুসলিম জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত উদ্যোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠে এই মাদ্রাসা।
প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ দ্বীনি শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে কুরআন, হাদিস, ফিকহ এবং আধ্যাত্মিকতার সমন্বয়ে প্রকৃত আলেম তৈরি হবে। এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে হুজুর কেবলা আল্লামা শাহসূফী আজিজুল হক আল-কাদেরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি-র অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগ-তিতিক্ষা অতুলনীয় ভূমিকা রেখেছে।
একটি ছোট মসজিদ-ভিত্তিক মাকতাব থেকে শুরু করে আজকের এই বিশাল কামিল মাদ্রাসায় পরিণত হওয়ার পথে অনেক চড়াই-উতরাই পেরোতে হয়েছে। কিন্তু আল্লাহর রহমত এবং দ্বীনদার মানুষদের অকুণ্ঠ সমর্থন এই প্রতিষ্ঠানকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
আজ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা এই মাদ্রাসায় এসে জ্ঞান অর্জন করছে। হাটহাজারী উপজেলার একটি প্রসিদ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আজ এটি সুপরিচিত।
ইলম অর্জন করা প্রতিটি মুসলমানের উপর ফরজ।
— হযরত মুহাম্মদ ﷺ (ইবনে মাজাহ)
প্রতিষ্ঠার তারিখ
১৩৯৪ হিজরি, ৭ই রবিউল আউয়াল
অবস্থান
ছিপাতলী ইউনিয়ন, হাটহাজারী উপজেলা, চট্টগ্রাম জেলা, বাংলাদেশ
প্রতিষ্ঠা থেকে আজকের অবস্থান পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য মাইলফলকসমূহ।
৭ই রবিউল আউয়াল, ১৩৯৪ হিজরিতে হুজুর কেবলা আল্লামা শাহসূফী আজিজুল হক আল-কাদেরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি-র নেতৃত্বে ছিপাতলীতে এই মাদ্রাসার ভিত্তি স্থাপন করা হয়। স্থানীয় মুসলিম জনগোষ্ঠীর সহযোগিতায় একটি মসজিদ-ভিত্তিক মাকতাব হিসেবে যাত্রা শুরু।
প্রতিষ্ঠার প্রথম পর্যায়ে নূরানী ও হিফজ বিভাগ চালু হয়। স্থানীয় শিশু ও কিশোরদের কুরআন শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে মাদ্রাসা দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
হাদিস, তাফসির, ফিকহ ও আরবি সাহিত্যের পূর্ণাঙ্গ কিতাব বিভাগ চালু হওয়ায় মাদ্রাসায় উচ্চতর দ্বীনি শিক্ষার সুযোগ তৈরি হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছাত্রেরা ভর্তি হতে শুরু করেন।
ইসলামি আইন ও ফতোয়া বিষয়ে বিশেষজ্ঞ আলেম তৈরির লক্ষ্যে ফতোয়া ও ইফতা বিভাগ চালু করা হয়। এই বিভাগটি মাদ্রাসাকে একটি পরিপূর্ণ দ্বীনি বিদ্যাপিঠে পরিণত করে।
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে কামিল (এম.এ.) পর্যায়ের স্বীকৃতি লাভ করে মাদ্রাসা। এটি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে একটি মাইলফলক অর্জন। হাটহাজারীর একটি প্রসিদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে উইকিপিডিয়ায় স্থান পায়।
এই ব্লকে মাদ্রাসার পরবর্তী উল্লেখযোগ্য ঘটনা, সাফল্য বা মাইলফলক যোগ করা যাবে।
মাদ্রাসার ঐতিহাসিক ছবি, পুরনো ক্যাম্পাস ফটো বা বিশেষ অনুষ্ঠানের ছবি এখানে যোগ করা যাবে।
images/ ফোল্ডারে ছবি রেখে উপরের img-grid-এ নতুন .img-item ব্লক যোগ করুন।
দরবারে কাদেরীয়া চিশতীয়া আজিজিয়া আলীয়া শরীফের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত — ইলম ও তাসাউফের অনন্য সমন্বয়।
নূরানী থেকে কামিল পর্যন্ত ৫টি বিভাগে সম্পূর্ণ ইসলামি শিক্ষার সুযোগ — একই ছাদের নিচে।
গাজ্জালীয়ে যমান আল্লামা সৈয়দ আহমদ সাঈদ কাজেমী রাঃ সহ তিনটি উচ্চ বংশীয় সনদে খেলাফতপ্রাপ্ত।
মাসিক আল্-মুবীন পত্রিকা ও দরবার-প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ কিতাবসমূহ দ্বীনি জ্ঞানের প্রসারে ভূমিকা রাখছে।
প্রতি বছর ওরছে কুল্ল, সালানা জলসা ও ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী মাহফিল — হাজার হাজার মানুষের মিলনমেলা।
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা আসেন এবং উইকিপিডিয়ায় স্বীকৃত একটি প্রসিদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠাতার বিস্তারিত জীবনী, পুরনো দলিল-পত্র, বিশেষ অর্জন বা সাক্ষাৎকার — যেকোনো সময় এই পেজে নতুন সেকশন যোগ করা যাবে।